লোগো

2 টি ট্যাগ

ট্যাগ ফিল্টার করুন

আত্মনিয়ন্ত্রণআত্মবিশ্বাসউচ্চ মধ্যবিত্তউচ্চবিত্তউৎসবএকক পরিবারএকক সন্তানএকাধিক সন্তানকর্মজীবী পরিবারকল্পনাশক্তিখাদ্যগ্রামীণ পরিবারডিজিটাল শিক্ষানবজাতক শিশুনিম্ন মধ্যবিত্তনিম্নআয়ের পরিবারনিম্নবিত্তনৈতিক শিক্ষাপড়াশোনার অভ্যাসপরামর্শপারিবারিক ঐতিহ্যপিতামাতাপ্যারেন্টিং ইস্যুপ্রারম্ভিক শিক্ষাবই পড়ার অভ্যাসবয়স ০-১বয়স ১-৩বয়স ১০-১৩বয়স ১৩-১৫বয়স ২-৭বয়স ৩-৫বয়স ৫-৭বয়স ৭-১০বাবা ও শিশুবাংলা শিক্ষাবাংলা সংস্কৃতিবাংলাদেশি প্যারেন্টিংবিনোদনভাষা বিকাশমধ্যবিত্তমননশীলতা মনোযোগ বৃদ্ধিমা ও শিশুমানসিক বিকাশমূল্যবোধযৌথ পরিবারশহুরে পরিবারশারীরিক বিকাশশিক্ষণ পদ্ধতিশিক্ষাশিক্ষামূলক খেলাশিশুশিশু যত্নশিশুর আচরণশিশুর আবেগসম্মানবোধসহানুভূতিসাধারণ সমস্যাসামাজিক দক্ষতাসামাজিক মূল্যবোধসৃজনশীলতাস্কুল প্রস্তুতিস্ক্রিন টাইমস্বাস্থ্যহোমওয়ার্ক
১০ মাসের শিশুর খাবার নিয়ে দ্বিধা: কার পরামর্শ শুনবেন, কীভাবে সিদ্ধান্ত নেবেন
জিজ্ঞাসা
১০ মাসের শিশুর খাবার নিয়ে দ্বিধা: কার পরামর্শ শুনবেন, কীভাবে সিদ্ধান্ত নেবেন

প্রশ্নঃ আমি প্রথমবার মা হয়েছি। আমার মেয়ের বয়স এখন ১০ মাস, ওর আর কোনো ভাইবোন নেই। বাসার সবাই একেকজন একেক রকম পরামর্শ দেন। কেউ বলেন এখন থেকেই সব খাবার দিতে, কেউ বলেন আরও অপেক্ষা করতে। এত ভিন্ন ভিন্ন কথা শুনে খুব দ্বিধায় আছি। এমন পরিস্থিতিতে কোন বিষয়গুলোকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত? প্রথমবার মা হলে শিশুর খাবার নিয়ে দ্বিধায় পড়া খুব স্বাভাবিক। বিশেষ করে বাসার সবাই যখন একেকজন একেক রকম পরামর্শ দেন। যেমনঃ কেউ বলেন “এখন থেকেই সব খাওয়াও”, কেউ বলেন “আরও অপেক্ষা করো”, তখন একজন মায়ের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে যায়। কিন্তু শিশুর খাবারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো বয়স, নিরাপত্তা, পুষ্টি এবং শিশুর প্রস্তুতি। শুধু বড়দের অভিজ্ঞতা নয়।

মোবাইল ছাড়া খেতে চায় না: শিশুর এই অভ্যাস ধীরে ধীরে কীভাবে কমাবেন
জিজ্ঞাসা
মোবাইল ছাড়া খেতে চায় না: শিশুর এই অভ্যাস ধীরে ধীরে কীভাবে কমাবেন

প্রশ্নঃ আমার ছেলে ৪ বছর বয়সী, একমাত্র সন্তান। প্রথম প্রথম খাওয়ানোর সময় মোবাইল দিতাম। এখন এমন হয়েছে, মোবাইল ছাড়া এক লোকমাও খায় না। মোবাইল বন্ধ করলেই কান্না শুরু করে। ধীরে ধীরে এই অভ্যাস কীভাবে বাদ দিতে পারি?

দাদির আদর আর মায়ের দুশ্চিন্তা: শিশুর খাবার ও মোবাইল অভ্যাস কীভাবে সামলাবেন?
জিজ্ঞাসা
দাদির আদর আর মায়ের দুশ্চিন্তা: শিশুর খাবার ও মোবাইল অভ্যাস কীভাবে সামলাবেন?

প্রশ্ন: আমি একজন চাকরিজীবী মা। আমার ছেলে ১ বছর ৬ মাসের, ওর আর কোনো ভাইবোন নেই। অফিসে যাওয়ার সময় ওকে ওর দাদির কাছে রেখে যাই। সমস্যা হলো, দাদি ওকে খুব আদর করে প্রায়ই চিপস, চকলেট দেন, আবার খাওয়ানোর সময় মোবাইলে কার্টুনও চালিয়ে দেন। আমি এগুলো একদমই চাই না, কিন্তু কিছু বললে উনি কষ্ট পান। এমন অবস্থায় কী করলে সবাইকে সম্মান রেখেও বিষয়টা সামলানো যায়?

বাবা-মায়ের সম্পর্ক কি সত্যিই শিশুর ব্যক্তিত্ব গঠনে প্রভাব ফেলে?
মূল্যবোধ
বাবা-মায়ের সম্পর্ক কি সত্যিই শিশুর ব্যক্তিত্ব গঠনে প্রভাব ফেলে?

আমি আগে ভাবতাম, সন্তান মানুষ করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তাকে ভালো স্কুলে পড়ানো, ঠিকমতো খাওয়ানো আর ভবিষ্যতের জন্য টাকা জমানো। কিন্তু বাবা হওয়ার পর ধীরে ধীরে একটা বিষয় বুঝতে শুরু করেছি, শিশুরা শুধু আমাদের কথা শুনে বড় হয় না, তারা আমাদের সম্পর্ক “দেখে” বড় হয়।

যৌথ পরিবারে একসাথে খেলা: শুধু বিনোদন নয়, সম্পর্কও মজবুত করে
বিনোদন
যৌথ পরিবারে একসাথে খেলা: শুধু বিনোদন নয়, সম্পর্কও মজবুত করে

আমাদের বাসায় মানুষ সবসময় একটু বেশি। আমি, আমার স্ত্রী, দুই বাচ্চা, আর আমার বাবা-মা, একসাথে থাকি। যৌথ পরিবারে থাকার ভালো দিক যেমন আছে, তেমনি ছোটখাটো চাপও আছে। অফিস থেকে ক্লান্ত হয়ে বাসায় ফিরি, বাবা-মায়ের আলাদা চাহিদা থাকে, বাচ্চাদের সামলানো থাকে, সংসারের হিসাব থাকে। এর মধ্যে অনেক সময় খেয়ালই করা হয় না যে আমরা একই বাসায় থাকলেও একসাথে “সময় কাটানো” আসলে কমে যাচ্ছে।

নবজাতকের সার্বিক বিকাশে বাবা কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারেন?
শিক্ষা
নবজাতকের সার্বিক বিকাশে বাবা কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারেন?

আমাদের দেশে এখনো অনেক পরিবারে খুব সাধারণ একটা ধারণা হলো নবজাতক শিশু মানেই “মায়ের দায়িত্ব”। বাবা মূলত বাইরে কাজ করবে, উপার্জন করবে, আর শিশুর আসল যত্ন নেবে মা ও পরিবারের অন্য নারীরা। যমজ ছেলে হওয়ার আগে আমিও অনেকটা এমনটাই ভাবতাম। মনে হতো, এত ছোট বাচ্চার সাথে “শেখানো” আবার কী!

বড় সন্তানের উপর ছোট ভাইবোনের দায়িত্ব চাপিয়ে দেয়া / বড় বোনকে “দ্বিতীয় মা” বানানো কি ঠিক?
মননশীলতা
বড় সন্তানের উপর ছোট ভাইবোনের দায়িত্ব চাপিয়ে দেয়া / বড় বোনকে “দ্বিতীয় মা” বানানো কি ঠিক?

ফাহমিদা বেগমের বড় মেয়েটার বয়স মাত্র ৯ বছর। কিন্তু অনেক সময় তাকে দেখে মনে হয় সে যেন এই বাসার আরেকজন ছোট মা। সকালে স্কুলে যাওয়ার আগে ছোট ভাইকে খাওয়ানো, বিকেলে তাকে ঘুম পাড়ানো, মা কাজে গেলে নজর রাখা; এসব এখন তার দৈনন্দিন কাজের অংশ। ফাহমিদা নিজেও বুঝতে পারেন, মেয়েটার ওপর দায়িত্ব একটু বেশিই পড়ে যাচ্ছে। কিন্তু উপায়ও যেন খুব বেশি নেই। গার্মেন্টসের চাকরি, সংসারের কাজ, স্বামীর অনিয়মিত আয়, সব মিলিয়ে বড় মেয়েটার সাহায্য ছাড়া অনেক সময় সংসার সামলানো কঠিন হয়ে যায়।

অতিরিক্ত পরিচ্ছন্নতা কি শিশুর রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়, নাকি কমায়?
স্বাস্থ্য
অতিরিক্ত পরিচ্ছন্নতা কি শিশুর রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়, নাকি কমায়?

আমি ডাক্তার হওয়ার কারণে একটা বিষয় প্রায়ই খেয়াল করি, এখনকার অনেক বাবা-মা শিশুর পরিচ্ছন্নতা নিয়ে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি সচেতন। সত্যি বলতে আমিও এর বাইরে না। বিশেষ করে মা হওয়ার পর প্রথমদিকে আমারও সবসময় ভয় কাজ করত কোথাও জীবাণু আছে কিনা, মেয়ে মেঝেতে বসছে কিনা, বাইরে কিছু ধরছে কিনা। একটা সময় এমন ছিল, বাইরে থেকে বাসায় ফিরলেই সঙ্গে সঙ্গে জামা বদল, হাত ধোয়া, খেলনা পরিষ্কার নিয়ে আমি খুব বেশি কঠোর হয়ে গিয়েছিলাম। এমনকি মেয়েটা মাটিতে বসে খেললেও ভিতরে ভিতরে অস্বস্তি লাগত। কিন্তু পরে ধীরে ধীরে বুঝলাম, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা জরুরি হলেও “অতিরিক্ত জীবাণুভয়” আর স্বাস্থ্যকর স্বাস্থ্যবিধি এক জিনিস না।

ছোটবেলা থেকেই শিশুকে সহযোগিতার মানসিকতা শেখানো
মূল্যবোধ
ছোটবেলা থেকেই শিশুকে সহযোগিতার মানসিকতা শেখানো

শাহ আলমের ছেলে রাফির বয়স এখন তিন বছর। ছোট্ট একটা ঘরে তাদের সংসার, কিন্তু কাজের যেন শেষ নেই। রাফির মা গর্ভবতী হওয়ায় এখন আগের চেয়ে দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যায়। একদিন রান্না করার সময় হঠাৎ তার হাত থেকে চামচ পড়ে যায়। তখন ছোট্ট রাফি দৌড়ে গিয়ে চামচটা তুলে দেয়। ঘটনাটা খুব ছোট ছিল, কিন্তু শাহ আলম চুপচাপ সেটা দেখছিল। তার মনে হচ্ছিল, শিশুকে ছোটবেলা থেকেই যদি অন্যকে সাহায্য করতে শেখানো যায়, তাহলে সেটাই হয়তো তার চরিত্রের বড় শক্তি হয়ে দাঁড়াবে।

শরীরচর্চামূলক খেলাধুলা
বিনোদন
শরীরচর্চামূলক খেলাধুলা

শাহ আলমের ছেলে রাফির বয়স তিন বছর। ছোট্ট বাসা, চারপাশে ব্যস্ত রাস্তা, খেলাধুলার জন্য বড় মাঠও খুব একটা নেই। তাই বেশিরভাগ সময় রাফি বাসার ভেতরেই থাকে। কখনো মায়ের মোবাইলে ভিডিও দেখে, কখনো ছোট গাড়ি নিয়ে খেলে। কিন্তু রাফি খুব দ্রুত বিরক্ত হয়ে যায়, রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে চায় না, আবার ছোট্ট কিছুতেই রেগে যায় বিষয়গুলো এক সময় শাহ আলম খেয়াল করতে শুরু করেছিল। একদিন পাশের এলাকার এক স্বাস্থ্যকর্মী তাকে বললেন, “বাচ্চাদের শরীরচর্চামূলক খেলাধুলা খুব দরকার।” প্রথমে শাহ আলম ভাবল, “এই ছোট্ট বাচ্চা আবার কী শরীরচর্চা করবে?” আসলে ছোট শিশুদের জন্য শরীরচর্চা মানে জিম বা ব্যায়াম না। দৌড়ানো, লাফানো, বল গড়ানো, হাত-পা নেড়ে খেলা, এসবই তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শরীরচর্চামূলক খেলাধুলা।

শিশুর মধ্যে পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তুলবেন কীভাবে?
স্বাস্থ্য
শিশুর মধ্যে পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তুলবেন কীভাবে?

শাহ আলম প্রতিদিন রাস্তার পাশে বসে জুতা সেলাই করে। ধুলো, ময়লা, কাদা এসব তার জীবনের স্বাভাবিক অংশ। বাসায় ফিরেও সে দেখে তার তিন বছরের ছেলে রাফি সারাদিন বাইরে খেলাধুলা করে এসে হাত না ধুয়েই ভাত খেতে বসে যায়। কখনো মাটিতে বসে খেলছে, আবার সেই হাত দিয়েই চোখ-মুখ ছুঁয়ে ফেলছে। শাহ আলম আগে ভাবত, “ছোট বাচ্চা, এগুলো তো করবেই।” কিন্তু গত শীতে রাফি বারবার পেট খারাপ আর সর্দি-কাশিতে অসুস্থ হওয়ার পর সে বুঝতে শুরু করে, ছোটবেলা থেকেই পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস শেখানো খুব জরুরি।

নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস দিয়ে ক্রিয়েটিভ খেলনা বানানো
মননশীলতা
নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস দিয়ে ক্রিয়েটিভ খেলনা বানানো

শাহ আলম প্রায়ই একটা ব্যাপার খেয়াল করে। সারাদিন রাস্তার পাশে বসে জুতা সেলাই করার পর যখন বাসায় ফেরে, তার তিন বছরের ছেলে রাফি মোবাইল দেখতে চায়। বাসার এক কোণে বসে থাকা ছেলেটার জন্য নতুন খেলনা কেনার সামর্থ্য সবসময় থাকে না। বাজারে চাল, ডাল, ওষুধ, এসবের দাম সামলাতেই মাস শেষ হয়ে যায়।

ঘুম কম হলে শিশুর আচরণ যেভাবে বদলে যায়
স্বাস্থ্য
ঘুম কম হলে শিশুর আচরণ যেভাবে বদলে যায়

মা হওয়ার আগে আমি ভাবতাম, বাচ্চা ঘুমালে শুধু শরীর বিশ্রাম পায়। কিন্তু সন্তান হওয়ার পর বুঝেছি, ছোট শিশুর জন্য ঘুম শুধু বিশ্রাম না, এটা তার মেজাজ, আচরণ, শেখার ক্ষমতা, এমনকি আবেগ নিয়ন্ত্রণের-এর সাথেও গভীরভাবে জড়িত। আমার ছেলে যখন ছোট ছিল, তখন একটা জিনিস প্রায়ই খেয়াল করতাম। যেদিন দুপুরে ঠিকমতো ঘুম হতো না, সেদিন সন্ধ্যার পর থেকেই ওর আচরণ পুরো বদলে যেত। সামান্য কথায় কান্না, বেশি রাগ, খেতে না চাওয়া, কোলে লেগে থাকা, সব একসাথে শুরু হতো।

“কথা না শুনলেই রাগ!”  ৩ বছরের শিশুর জেদ ও রাগ আসলে কেন বাড়ে?
মননশীলতা
“কথা না শুনলেই রাগ!” ৩ বছরের শিশুর জেদ ও রাগ আসলে কেন বাড়ে?

আমার ছেলে যখন দুই বছর পার করে তিনে পা দিল, তখন থেকেই আমি একটা নতুন জিনিস বুঝতে শুরু করি, এই বয়সের বাচ্চাদের মোড কখন কোন দিকে যায়, সেটা বোঝা সত্যিই কঠিন। একটু আগে যে বাচ্চা হাসছিল, পাঁচ মিনিট পর সেই একই বাচ্চা মাটিতে শুয়ে কান্না করছে শুধু একটা বিস্কুট বা খেলনার জন্য। শুরুতে আমি ভাবতাম, হয়তো আমি ঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি না। পরে শিশুদের আচরণ নিয়ে পড়তে গিয়ে বুঝলাম, ২–৪ বছর বয়সে রাগ, জেদ, আবেগের বিস্ফোরণ, এগুলো আসলে খুবই স্বাভাবিক বিকাশের ধাপ।

যৌথ পরিবার কি শিশুর ব্যক্তিসত্তার বিকাশে সাহায্য করে?
মননশীলতা
যৌথ পরিবার কি শিশুর ব্যক্তিসত্তার বিকাশে সাহায্য করে?

আমাদের দেশে যৌথ পরিবার এখনো অনেক পরিবারের বাস্তবতা। বিশেষ করে সন্তান জন্মের পর দাদা-দাদী, নানা-নানী, চাচা-ফুপু বা খালা-মামাদের উপস্থিতি শিশুর বেড়ে ওঠায় একটা বিস্তার ভূমিকা রাখে। একটি শিশু শুধু মা-বাবার কাছ থেকেই না, পুরো পরিবারের পরিবেশ থেকেই নিজের পরিচয় বা Identity গঠন করতে শুরু করে।

যৌথ পরিবারে সন্তান পালন
মূল্যবোধ
যৌথ পরিবারে সন্তান পালন

যমজ ছেলে হওয়ার পর আমি একটা জিনিস খুব দ্রুত বুঝতে পারলাম, সন্তান লালন-পালন শুধু মা-বাবার বিষয় না, বিশেষ করে যৌথ পরিবারে। আমাদের বাসায় বাচ্চাদের নিয়ে সবার আলাদা মতামত আছে। কেউ বলে বেশি কোলে নিলে অভ্যাস খারাপ হবে, কেউ বলে শিশুকে কান্না করতে দেওয়া উচিত না। কেউ চায় পুরোনো নিয়ম মেনে চলতে, আবার আমরা অনেক সময় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরণ করতে চাই।

বাচ্চাদের মনের বিকাশ: খেলাধুলা ও বইপড়া
শিক্ষা
বাচ্চাদের মনের বিকাশ: খেলাধুলা ও বইপড়া

আমরা অনেক সময় আমাদের শিশুরা যখন খেলতে বসে, তখন তাকে থামিয়ে দিয়ে পড়তে বসাই বা যখন বই নিয়ে বসে, তখন তাকে খেলতে পাঠাই। আমরা বইপড়া ও খেলাধুলাকে অনেক সময় আলাদা করে দেখি, কিন্তু সত্যিটা হলো খেলাধুলা এবং বইপড়া দুইটিই শিশুর জন্য সমান গুরুত্বের এবং এগুলো একসাথে শিশুর মনের সঠিক বিকাশে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকা রাখে।