লোগো

2 টি ট্যাগ

ট্যাগ ফিল্টার করুন

আত্মনিয়ন্ত্রণআত্মবিশ্বাসউচ্চ মধ্যবিত্তউচ্চবিত্তউৎসবএকক পরিবারএকক সন্তানএকাধিক সন্তানকর্মজীবী পরিবারকল্পনাশক্তিখাদ্যগ্রামীণ পরিবারডিজিটাল শিক্ষানবজাতক শিশুনিম্ন মধ্যবিত্তনিম্নআয়ের পরিবারনিম্নবিত্তনৈতিক শিক্ষাপড়াশোনার অভ্যাসপরামর্শপারিবারিক ঐতিহ্যপিতামাতাপ্যারেন্টিং ইস্যুপ্রারম্ভিক শিক্ষাবই পড়ার অভ্যাসবয়স ০-১বয়স ১-৩বয়স ১০-১৩বয়স ১৩-১৫বয়স ২-৭বয়স ৩-৫বয়স ৫-৭বয়স ৭-১০বাবা ও শিশুবাংলা শিক্ষাবাংলা সংস্কৃতিবাংলাদেশি প্যারেন্টিংবিনোদনভাষা বিকাশমধ্যবিত্তমননশীলতা মনোযোগ বৃদ্ধিমা ও শিশুমানসিক বিকাশমূল্যবোধযৌথ পরিবারশহুরে পরিবারশারীরিক বিকাশশিক্ষণ পদ্ধতিশিক্ষাশিক্ষামূলক খেলাশিশুশিশু যত্নশিশুর আচরণশিশুর আবেগসম্মানবোধসহানুভূতিসাধারণ সমস্যাসামাজিক দক্ষতাসামাজিক মূল্যবোধসৃজনশীলতাস্কুল প্রস্তুতিস্ক্রিন টাইমস্বাস্থ্যহোমওয়ার্ক
২ মাসের শিশুর রাতের ঘুম: ধীরে ধীরে রুটিন গড়ার সহজ উপায়
জিজ্ঞাসা
২ মাসের শিশুর রাতের ঘুম: ধীরে ধীরে রুটিন গড়ার সহজ উপায়

প্রশ্নঃ আমি প্রথমবার মা হয়েছি। আমার ছেলের বয়স এখন ২ মাস, ওর আর কোনো ভাইবোন নেই। সারাদিন মোটামুটি ঘুমালেও রাতে ঠিকমতো ঘুমায় না। রাত ১২-১টার পরও জেগে থাকে, বারবার কোলে নিতে হয়। এতে আমরাও খুব ক্লান্ত হয়ে পড়ছি। এত ছোট বাচ্চার ঘুমের রুটিন কীভাবে ধীরে ধীরে ঠিক করা যায়?

১০ মাসের শিশুর খাবার নিয়ে দ্বিধা: কার পরামর্শ শুনবেন, কীভাবে সিদ্ধান্ত নেবেন
জিজ্ঞাসা
১০ মাসের শিশুর খাবার নিয়ে দ্বিধা: কার পরামর্শ শুনবেন, কীভাবে সিদ্ধান্ত নেবেন

প্রশ্নঃ আমি প্রথমবার মা হয়েছি। আমার মেয়ের বয়স এখন ১০ মাস, ওর আর কোনো ভাইবোন নেই। বাসার সবাই একেকজন একেক রকম পরামর্শ দেন। কেউ বলেন এখন থেকেই সব খাবার দিতে, কেউ বলেন আরও অপেক্ষা করতে। এত ভিন্ন ভিন্ন কথা শুনে খুব দ্বিধায় আছি। এমন পরিস্থিতিতে কোন বিষয়গুলোকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত? প্রথমবার মা হলে শিশুর খাবার নিয়ে দ্বিধায় পড়া খুব স্বাভাবিক। বিশেষ করে বাসার সবাই যখন একেকজন একেক রকম পরামর্শ দেন। যেমনঃ কেউ বলেন “এখন থেকেই সব খাওয়াও”, কেউ বলেন “আরও অপেক্ষা করো”, তখন একজন মায়ের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে যায়। কিন্তু শিশুর খাবারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো বয়স, নিরাপত্তা, পুষ্টি এবং শিশুর প্রস্তুতি। শুধু বড়দের অভিজ্ঞতা নয়।

দাদির আদর আর মায়ের দুশ্চিন্তা: শিশুর খাবার ও মোবাইল অভ্যাস কীভাবে সামলাবেন?
জিজ্ঞাসা
দাদির আদর আর মায়ের দুশ্চিন্তা: শিশুর খাবার ও মোবাইল অভ্যাস কীভাবে সামলাবেন?

প্রশ্ন: আমি একজন চাকরিজীবী মা। আমার ছেলে ১ বছর ৬ মাসের, ওর আর কোনো ভাইবোন নেই। অফিসে যাওয়ার সময় ওকে ওর দাদির কাছে রেখে যাই। সমস্যা হলো, দাদি ওকে খুব আদর করে প্রায়ই চিপস, চকলেট দেন, আবার খাওয়ানোর সময় মোবাইলে কার্টুনও চালিয়ে দেন। আমি এগুলো একদমই চাই না, কিন্তু কিছু বললে উনি কষ্ট পান। এমন অবস্থায় কী করলে সবাইকে সম্মান রেখেও বিষয়টা সামলানো যায়?

বাবা-মায়ের সম্পর্ক কি সত্যিই শিশুর ব্যক্তিত্ব গঠনে প্রভাব ফেলে?
মূল্যবোধ
বাবা-মায়ের সম্পর্ক কি সত্যিই শিশুর ব্যক্তিত্ব গঠনে প্রভাব ফেলে?

আমি আগে ভাবতাম, সন্তান মানুষ করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তাকে ভালো স্কুলে পড়ানো, ঠিকমতো খাওয়ানো আর ভবিষ্যতের জন্য টাকা জমানো। কিন্তু বাবা হওয়ার পর ধীরে ধীরে একটা বিষয় বুঝতে শুরু করেছি, শিশুরা শুধু আমাদের কথা শুনে বড় হয় না, তারা আমাদের সম্পর্ক “দেখে” বড় হয়।

যৌথ পরিবারে একসাথে খেলা: শুধু বিনোদন নয়, সম্পর্কও মজবুত করে
বিনোদন
যৌথ পরিবারে একসাথে খেলা: শুধু বিনোদন নয়, সম্পর্কও মজবুত করে

আমাদের বাসায় মানুষ সবসময় একটু বেশি। আমি, আমার স্ত্রী, দুই বাচ্চা, আর আমার বাবা-মা, একসাথে থাকি। যৌথ পরিবারে থাকার ভালো দিক যেমন আছে, তেমনি ছোটখাটো চাপও আছে। অফিস থেকে ক্লান্ত হয়ে বাসায় ফিরি, বাবা-মায়ের আলাদা চাহিদা থাকে, বাচ্চাদের সামলানো থাকে, সংসারের হিসাব থাকে। এর মধ্যে অনেক সময় খেয়ালই করা হয় না যে আমরা একই বাসায় থাকলেও একসাথে “সময় কাটানো” আসলে কমে যাচ্ছে।

শিশুকে ছোটবেলা থেকেই অন্যের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার অভ্যাস শেখানো কতটা জরুরি? কীভাবে শেখাবেন?
মূল্যবোধ
শিশুকে ছোটবেলা থেকেই অন্যের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার অভ্যাস শেখানো কতটা জরুরি? কীভাবে শেখাবেন?

যমজ ছেলে হওয়ার পর আমি একটা জিনিস খুব দ্রুত বুঝেছি, ভাগাভাগি শেখানো ভবিষ্যতে আমাদের সবচেয়ে বড় অভিভাবকত্বের চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হতে পারে। যদিও ওরা এখনো ছোট, তবুও মাঝে মাঝে একজনের খেলনা আরেকজনের হাতে গেলে প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। তখন বুঝতে পারি, “আমার জিনিস”, এই অনুভূতিটা খুব ছোট বয়স থেকেই তৈরি হতে শুরু করে।

কর্মীদের সঙ্গে আপনার আচরণ থেকেই শিশু সম্মানবোধ শিখতে পারে
মূল্যবোধ
কর্মীদের সঙ্গে আপনার আচরণ থেকেই শিশু সম্মানবোধ শিখতে পারে

আমাদের বাসায় যেহেতু যৌথ পরিবার, আর আমি ব্যবসার কাজে ব্যস্ত থাকি, তাই গৃহকর্মী বা সহায়তাকারী কর্মীদের উপর অনেক কাজ নির্ভর করে। বিশেষ করে যমজ ছেলে হওয়ার পর বুঝেছি, শিশুকে বড় করতে শুধু মা-বাবা না, বাসার পরিবেশও অনেক বড় ভূমিকা রাখে।

সবচেয়ে দামী খেলনা কি বাবা-মায়ের মনোযোগের বিকল্প হতে পারে?
বিনোদন
সবচেয়ে দামী খেলনা কি বাবা-মায়ের মনোযোগের বিকল্প হতে পারে?

সন্তান হওয়ার পর একটা জিনিস আমি খুব কাছ থেকে বুঝেছি, বাজারে শিশুদের জন্য জিনিসের কোনো শেষ নেই। দামি মিউজিক্যাল খেলনা, স্মার্ট শেখার যন্ত্র, স্বয়ংক্রিয় দোলনা, বিদেশি অ্যাক্টিভিটি সেট দেখে অনেক সময় মনে হয়, “এসব না কিনলে বুঝি শিশুর বিকাশ পিছিয়ে যাবে।” আমাদের মতো উচ্চ-মধ্যবিত্ত পরিবারে এই চাপ আরও বেশি। আত্মীয়স্বজনও অনেক সময় বলেন, “বাচ্চাদের জন্য সেরা জিনিসটাই তো নিতে হবে।” আমিও শুরুতে ভাবতাম, বেশি দামি খেলনা মানেই হয়তো বেশি শেখা।

ফ্যামিলি আউটিং কি শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে সাহায্য করে?
বিনোদন
ফ্যামিলি আউটিং কি শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে সাহায্য করে?

আগে আমি ফ্যামিলি আউটিং মানেই ভাবতাম একটু ঘুরতে যাওয়া, ছবি তোলা, বাইরে খাওয়া আর ক্লান্ত হয়ে বাসায় ফেরা। কিন্তু যমজ ছেলে হওয়ার পর বিষয়টা অন্যভাবে দেখতে শুরু করেছি। এখন যখন ওদের নিয়ে ছাদে হাঁটি, পার্কে যাই বা পরিবারের সবাই মিলে একটু বাইরে বের হই, তখন বুঝতে পারি, শিশুর জন্য বাইরে যাওয়া শুধু বিনোদন না, এটা শেখারও একটা বড় অংশ।

নবজাতকের সার্বিক বিকাশে বাবা কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারেন?
শিক্ষা
নবজাতকের সার্বিক বিকাশে বাবা কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারেন?

আমাদের দেশে এখনো অনেক পরিবারে খুব সাধারণ একটা ধারণা হলো নবজাতক শিশু মানেই “মায়ের দায়িত্ব”। বাবা মূলত বাইরে কাজ করবে, উপার্জন করবে, আর শিশুর আসল যত্ন নেবে মা ও পরিবারের অন্য নারীরা। যমজ ছেলে হওয়ার আগে আমিও অনেকটা এমনটাই ভাবতাম। মনে হতো, এত ছোট বাচ্চার সাথে “শেখানো” আবার কী!

বড় সন্তানের উপর ছোট ভাইবোনের দায়িত্ব চাপিয়ে দেয়া / বড় বোনকে “দ্বিতীয় মা” বানানো কি ঠিক?
মননশীলতা
বড় সন্তানের উপর ছোট ভাইবোনের দায়িত্ব চাপিয়ে দেয়া / বড় বোনকে “দ্বিতীয় মা” বানানো কি ঠিক?

ফাহমিদা বেগমের বড় মেয়েটার বয়স মাত্র ৯ বছর। কিন্তু অনেক সময় তাকে দেখে মনে হয় সে যেন এই বাসার আরেকজন ছোট মা। সকালে স্কুলে যাওয়ার আগে ছোট ভাইকে খাওয়ানো, বিকেলে তাকে ঘুম পাড়ানো, মা কাজে গেলে নজর রাখা; এসব এখন তার দৈনন্দিন কাজের অংশ। ফাহমিদা নিজেও বুঝতে পারেন, মেয়েটার ওপর দায়িত্ব একটু বেশিই পড়ে যাচ্ছে। কিন্তু উপায়ও যেন খুব বেশি নেই। গার্মেন্টসের চাকরি, সংসারের কাজ, স্বামীর অনিয়মিত আয়, সব মিলিয়ে বড় মেয়েটার সাহায্য ছাড়া অনেক সময় সংসার সামলানো কঠিন হয়ে যায়।

নবজাতক ও টডলারকে একসঙ্গে সামলাতে গিয়ে মায়ের মানসিক অবসাদ
মননশীলতা
নবজাতক ও টডলারকে একসঙ্গে সামলাতে গিয়ে মায়ের মানসিক অবসাদ

আগে আমি ভাবতাম, বাচ্চার যত্ন নেওয়া মানে শুধু তাকে খাওয়ানো, ঘুম পাড়ানো আর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা। কিন্তু দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের পর বুঝলাম, বাস্তবতা আসলে অনেক বেশি জটিল। আমার ছোট মেয়েটার বয়স এখন তিন মাস। আর বড় ছেলেটা তিন বছরের। একদিকে নবজাতক শিশুর সারাক্ষণের যত্ন, অন্যদিকে টলমল পায়ে হাঁটা আর দুষ্টুমিতে ভরা একটা ছোট বাচ্চা, দুজনকে একসাথে সামলানো যে কতটা কঠিন হতে পারে, সেটা না হলে বোঝানো মুশকিল। অনেকেই বলে, “তুমি তো বাসায় থাকো, তোমার আবার এত ক্লান্তি কিসের?” কিন্তু বাসায় থাকা আর সারাদিন বিশ্রাম করা যে এক জিনিস নয়, সেটা এখন আমি খুব ভালো বুঝি।

ছোটবেলা থেকেই শিশুকে সহযোগিতার মানসিকতা শেখানো
মূল্যবোধ
ছোটবেলা থেকেই শিশুকে সহযোগিতার মানসিকতা শেখানো

শাহ আলমের ছেলে রাফির বয়স এখন তিন বছর। ছোট্ট একটা ঘরে তাদের সংসার, কিন্তু কাজের যেন শেষ নেই। রাফির মা গর্ভবতী হওয়ায় এখন আগের চেয়ে দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যায়। একদিন রান্না করার সময় হঠাৎ তার হাত থেকে চামচ পড়ে যায়। তখন ছোট্ট রাফি দৌড়ে গিয়ে চামচটা তুলে দেয়। ঘটনাটা খুব ছোট ছিল, কিন্তু শাহ আলম চুপচাপ সেটা দেখছিল। তার মনে হচ্ছিল, শিশুকে ছোটবেলা থেকেই যদি অন্যকে সাহায্য করতে শেখানো যায়, তাহলে সেটাই হয়তো তার চরিত্রের বড় শক্তি হয়ে দাঁড়াবে।

অতিথিদের ভিড়ে নবজাতকের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখবেন কীভাবে?
স্বাস্থ্য
অতিথিদের ভিড়ে নবজাতকের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখবেন কীভাবে?

যমজ ছেলে হওয়ার পর আমাদের বাসা যেন হঠাৎ করেই সবার আগ্রহের কেন্দ্র হয়ে গেল। আত্মীয়স্বজন, বন্ধু, প্রতিবেশী, সবাই বাচ্চাদের একনজর দেখতে চাইতেন। কেউ মিষ্টি নিয়ে আসছেন, কেউ খেলনা, কেউ আবার শুধু আদর করতে। শুরুতে বিষয়টা আমাদের খুব ভালো লাগত। সত্যি বলতে, নতুন বাবা-মা হিসেবে সবার ভালোবাসা আর আনন্দ দেখে মন ভরে যেত।

শিশুর জন্য নিয়মিত ঘুমের অভ্যাস কীভাবে গড়ে তুলবেন?
স্বাস্থ্য
শিশুর জন্য নিয়মিত ঘুমের অভ্যাস কীভাবে গড়ে তুলবেন?

যমজ সন্তান হওয়ার পর আমি আর আমার স্ত্রী খুব দ্রুত একটা জিনিস বুঝে গিয়েছিলাম, শিশুকে বড় করার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হলো ঘুম। রাতের পর রাত এমন গেছে, যখন একজন ঘুমালেই আরেকজন জেগে উঠত। একজনকে কোলে নিয়ে ঘুম পাড়াতে না পাড়াতেই অন্যজন কান্না শুরু করত। অনেক সময় মনে হতো, আমরা যেন পালা করে শুধু বাচ্চা সামলাচ্ছি, ঘুমানোর সুযোগই পাচ্ছি না।

ঘুম কম হলে শিশুর আচরণ যেভাবে বদলে যায়
স্বাস্থ্য
ঘুম কম হলে শিশুর আচরণ যেভাবে বদলে যায়

মা হওয়ার আগে আমি ভাবতাম, বাচ্চা ঘুমালে শুধু শরীর বিশ্রাম পায়। কিন্তু সন্তান হওয়ার পর বুঝেছি, ছোট শিশুর জন্য ঘুম শুধু বিশ্রাম না, এটা তার মেজাজ, আচরণ, শেখার ক্ষমতা, এমনকি আবেগ নিয়ন্ত্রণের-এর সাথেও গভীরভাবে জড়িত। আমার ছেলে যখন ছোট ছিল, তখন একটা জিনিস প্রায়ই খেয়াল করতাম। যেদিন দুপুরে ঠিকমতো ঘুম হতো না, সেদিন সন্ধ্যার পর থেকেই ওর আচরণ পুরো বদলে যেত। সামান্য কথায় কান্না, বেশি রাগ, খেতে না চাওয়া, কোলে লেগে থাকা, সব একসাথে শুরু হতো।

অতিরিক্ত সুরক্ষামূলক সন্তান পালন কি শিশুদের আত্মবিশ্বাসের উপর প্রভাব ফেলে?
মননশীলতা
অতিরিক্ত সুরক্ষামূলক সন্তান পালন কি শিশুদের আত্মবিশ্বাসের উপর প্রভাব ফেলে?

নতুন বাবা হওয়ার পর আমি একটা বিষয় বুঝতে পারলাম যে সন্তান জন্মের সাথে সাথে বাবা-মায়ের ভয়ও জন্ম নেয়। “পড়ে যাবে না তো?”, “অসুস্থ হবে না তো?”, “কাঁদছে কেন?”, “এটা ধরলে সমস্যা হবে না তো?” এই চিন্তাগুলো খুব স্বাভাবিক।

“কথা না শুনলেই রাগ!”  ৩ বছরের শিশুর জেদ ও রাগ আসলে কেন বাড়ে?
মননশীলতা
“কথা না শুনলেই রাগ!” ৩ বছরের শিশুর জেদ ও রাগ আসলে কেন বাড়ে?

আমার ছেলে যখন দুই বছর পার করে তিনে পা দিল, তখন থেকেই আমি একটা নতুন জিনিস বুঝতে শুরু করি, এই বয়সের বাচ্চাদের মোড কখন কোন দিকে যায়, সেটা বোঝা সত্যিই কঠিন। একটু আগে যে বাচ্চা হাসছিল, পাঁচ মিনিট পর সেই একই বাচ্চা মাটিতে শুয়ে কান্না করছে শুধু একটা বিস্কুট বা খেলনার জন্য। শুরুতে আমি ভাবতাম, হয়তো আমি ঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি না। পরে শিশুদের আচরণ নিয়ে পড়তে গিয়ে বুঝলাম, ২–৪ বছর বয়সে রাগ, জেদ, আবেগের বিস্ফোরণ, এগুলো আসলে খুবই স্বাভাবিক বিকাশের ধাপ।

টুইন বেবিদের ওভারল স্বাস্থ্য সচেতনতা
স্বাস্থ্য
টুইন বেবিদের ওভারল স্বাস্থ্য সচেতনতা

টুইন বেবি সামলানো যেমন আনন্দের, তেমন দ্বিগুণ দায়িত্বও। একজন বাবু একটু কাশি দিলেই মাথায় প্রশ্ন আসে- “এবার কি আরেকজনেরও হবে?” আমাদের মতো যৌথ পরিবারে যেখানে বাসায় অনেক মানুষ, অতিথি আসা-যাওয়া, কোলে নেওয়া- সেখানে এই ভয় আরও বাস্তব। পুরোপুরি সব অসুখ আটকানো সম্ভব না, কিন্তু ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

যৌথ পরিবার কি শিশুর ব্যক্তিসত্তার বিকাশে সাহায্য করে?
মননশীলতা
যৌথ পরিবার কি শিশুর ব্যক্তিসত্তার বিকাশে সাহায্য করে?

আমাদের দেশে যৌথ পরিবার এখনো অনেক পরিবারের বাস্তবতা। বিশেষ করে সন্তান জন্মের পর দাদা-দাদী, নানা-নানী, চাচা-ফুপু বা খালা-মামাদের উপস্থিতি শিশুর বেড়ে ওঠায় একটা বিস্তার ভূমিকা রাখে। একটি শিশু শুধু মা-বাবার কাছ থেকেই না, পুরো পরিবারের পরিবেশ থেকেই নিজের পরিচয় বা Identity গঠন করতে শুরু করে।

যৌথ পরিবারে সন্তান পালন
মূল্যবোধ
যৌথ পরিবারে সন্তান পালন

যমজ ছেলে হওয়ার পর আমি একটা জিনিস খুব দ্রুত বুঝতে পারলাম, সন্তান লালন-পালন শুধু মা-বাবার বিষয় না, বিশেষ করে যৌথ পরিবারে। আমাদের বাসায় বাচ্চাদের নিয়ে সবার আলাদা মতামত আছে। কেউ বলে বেশি কোলে নিলে অভ্যাস খারাপ হবে, কেউ বলে শিশুকে কান্না করতে দেওয়া উচিত না। কেউ চায় পুরোনো নিয়ম মেনে চলতে, আবার আমরা অনেক সময় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরণ করতে চাই।

বাবা-সন্তানের দূরত্ব কমাতে যেসব খেলা সাহায্য করে
বিনোদন
বাবা-সন্তানের দূরত্ব কমাতে যেসব খেলা সাহায্য করে

ব্যবসার কাজের কারণে আমার দিনের বড় একটা সময় বাইরে কাটে। তাই যমজ ছেলেরা জন্মানোর পর প্রথম কয়েক মাস আমার ভেতরে একটা অদ্ভূত ভয় কাজ করত, “ওরা কি আমাকে যথেষ্ট চিনবে?”, “মায়ের সাথে যেমন কম্ফোর্ট ফিল করে, আমার সাথেও কি করবে?” শুরুতে আমি ভাবতাম, শিশুর সঙ্গে গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলা মানে অনেক বড় কিছু। পরে বুঝলাম, ছোট ছোট মুহূর্তই আসলে সবচেয়ে দৃঢ় সম্পর্ক তৈরি করে। আর শিশুর সঙ্গে সেই সম্পর্ক গড়ে তোলার সবচেয়ে স্বাভাবিক উপায়গুলোর একটি হলো “খেলা”।

শিশুর শিক্ষামূলক ভিডিও: সাহায্য করে নাকি ক্ষতি করে?
শিক্ষা
শিশুর শিক্ষামূলক ভিডিও: সাহায্য করে নাকি ক্ষতি করে?

যমজ ছেলে হওয়ার পর আমাদের বাসায় একটা জিনিস খুব কমন হয়ে গিয়েছিল, ইউটিউব রেকমেন্ডেশন। কেউ বলছে “এই ভিডিও দিলে বাচ্চা ABC শিখবে”, কেউ বলছে “এই ছড়া শুনলে বাচ্চা শান্ত থাকে”, আবার কেউ বলছে “আজকালকার বাচ্চারা মোবাইল দিয়েই দ্রুত শেখে।” সত্যি বলতে, আমিও একসময় কৌতূহল থেকে “শিশুদের শিক্ষামূলক ভিডিও” চালিয়ে দেখেছিলাম। উজ্জ্বল রং, আকর্ষণীয় মিউজিক, নড়াচড়া করা শেপস ইত্যাদি দেখে মনে হয় সত্যিই শিক্ষামূলক কিছু। কিন্তু পরে বিষয়টা নিয়ে পড়াশোনা করতে গিয়ে বুঝলাম, ব্যাপারটা আসলে এতটা সহজ না।